এখানে ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ এর আলোচনায় প্রস্তাবনা এবং সিদ্ধান্তের একটি সংক্ষিপ্ত সারমর্ম দেওয়া হলো:
আলোচনার সারসংক্ষেপ
সমিতির মাসিক আলোচনায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জমি ক্রয় এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
জমি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত
-
নতুন জমি ক্রয়: রহিমানগর বাজারের বাইরে (চাপাতলি, কহলথুড়ি বা নলুয়া) ১-৩ লক্ষ টাকা প্রতি শতক মূল্যে ১০-৩০ শতক জমি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে কেনা হবে।
-
সীমানা প্রাচীর: রহিমানগরের বর্তমান জমিতে আপাতত কোনো তারকাঁটার বেড়া দেওয়া হবে না।
-
মালিকানা দলিল: রহিমানগর প্রজেক্টের মালিকানা সংক্রান্ত স্ট্যাম্প আগামী কোরবানি ঈদে সদস্যদের প্রদান করা হবে।
আর্থিক ও শৃঙ্খলা নীতিমালা
-
মাসিক চাঁদা: প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সদস্যদের নিজ উদ্যোগে চাঁদা জমা দিতে হবে (কোনো ফলোআপ করা হবে না)।
-
জরিমানা: চাঁদা পরিশোধে ২ মাস বিলম্ব হলে ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
-
বিশেষ কিস্তি: এক লক্ষ টাকার দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ ৭০,০০০ টাকা আগামী জুনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য (২০২৮-২০৩৫)
-
সম্পদ ও আবাসন: ২০২৮ সালের মধ্যে ১ কোটি টাকার সম্পদ গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৮ সালের পর 'বন্ধু ড্রিম হাউজ' (ফ্ল্যাট প্রজেক্ট) বাস্তবায়নের আলোচনা চলবে।
-
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান: ২০৩৫ সালের পর সদস্যদের কর্মসংস্থানের জন্য নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভবিষ্যৎ আলোচনা সভা
-
এখন থেকে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার রাত ৯টায় নিয়মিত মাসিক মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী মিটিংয়ে সকল সদস্যের শতভাগ উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে।
সারকথা:
সমিতি বর্তমানে নতুন জমি কেনা এবং ২০২৮ সালের মধ্যে বড় অংকের সম্পদ অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করছে, যেখানে সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সময়মতো কিস্তি পরিশোধ অত্যন্ত জরুরি।